কুষ্টিয়ার খোকসায় গ্রাহকের টাকা নিয়ে শাখা ব্যবস্থাপক লাপাত্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৭:২১ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 68 বার
কুষ্টিয়ার খোকসায় গ্রাহকের টাকা নিয়ে শাখা ব্যবস্থাপক লাপাত্তা

সময়েরদিগন্ত.কম ॥ নিয়ে একটি অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানের শাখা ব্যবস্থাপক আত্মগোপন করেছে। এক নারী গ্রাহককে অফিসে আটকে নির্যাতন চালোন অভিযোগ উঠেছে পালাতক শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী গ্রাহকরাদের অভিযোগ, অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশনের খোকসা উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপক ইলিয়াস হোসেন গত কয়েক মাস ধরে গ্রাহকদের ঋণ দেবার প্রতিশ্র“তি দিয়ে অগ্রিম জামানত ও ডিপিএস খোলার কথা বলে প্রায় ১৫ লাখ টাকা হাতি নেয়। গত সপ্তাহ থেকে গ্রাহকরা ঋনের জন্য চাপ দিতে থাকে। রবিবার দিনগত রাতে শাখা ব্যবস্থাপক ইলিয়াস হোসেন গ্রাহকদের টাকা নিয়ে আত্মগোপন করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সোমবার সকাল থেকে উপজেলা সদরের মাষ্টার পাড়ায় প্রতিষ্ঠানটির অফিসের সামনে গ্রাহকরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এ সময় ভুক্তভোগী গ্রাহকদের মধ্যে নাছিমা নামের এক গ্রাহক অভিযোগ করেন, তার মেয়ের বিয়ের জন্য এই প্রতিষ্ঠান থেকে আড়াই লাখ টাকা ঋন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শাখা ব্যবস্থাপক ও শাহীন নামের এক মাঠ কর্মী মহিলার কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকা জামানত, সঞ্চয় ও ডিপিএস বাবদ জমা নেয়। ঋন অথবা টাকা ফেরতের জন্য নাছিমা কয়েক দফায় খোকসার এই অফিসে আসে। এক পর্যায়ে এক রাতে এই নারী গ্রাহকে অফিসের একটি কক্ষে আটকে রাখে। এক পর্যায়ে সে রাতেই স্থানীয়রা নারীকে উদ্ধার করে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এ নিয়ে ওই নারী গ্রাহক এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়েও গিয়েছিল কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। সন্ধ্যায় এ রিপোট লেখা পর্যন্ত সঞ্চয় ও জামানতের টাকার ফেরত পাবার জন্য কয়েকশ গ্রাহককে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। এদের মধ্যে অলংবার ব্যবসায়ী সন্জীব সরকার জানান শাখা ব্যবস্থাপক ইলিয়াস হোসেন অফিসের কথা বলে তার কাছ থেকে প্রায় ৬০ হাজার টাকার গহনা বাঁকী নিয়েছে। গ্রাহক বাচ্চু শেখ, আসাদ মোল্লা, পিন্টু শেখ, সবুজ হোসেন, নাভিন হাসানসহ অন্যরা একই অভিযোগ করেন এই শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে।গ্রাহকের সাথে প্রতারণার কথা স্বীকার করলেন বাড়ির মালিক রাজু। তিনি দাবি করেন শাখা ব্যবস্থাপক তার কাছ থেকেও অনেক টাকা ধার নিয়েছে। রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশনের কুষ্টিয়ার আঞ্চলিক ম্যানেজার উজ্জল কুমার মন্ডল স্বীকার করেন শাখা ব্যবস্থাপকের অনিয়মের কথা। তবে তিনি পালিয়ে গেলেও অফিসের নিয়ন্ত্রনে রয়েছেন বলে স্বীকার করেন। নারী গ্রাহকের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। গ্রাহকদের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আত্মগোপনে থাকা শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সংবাদটি শেয়ার করে দৈনিক সময়ের দিগন্তের সাথে থাকুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে  সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

three + 19 =