পাবনায় প্রথম করেনার টিকা নিলেন গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি

অথর
পাবনা প্রতিনিধি   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 56 বার
পাবনায় প্রথম করেনার টিকা নিলেন গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি

পাবনায় প্রথম ধাপে ৮৪ হাজার ডোজ করোনার টিকা প্রয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে , এতে ৪২ হাজার মানুষকে দেওয়া যাবে। আর সর্বপ্রথম টিকা নিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, পাবনা-৫ আসনের সাংসদ গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি।

রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১) দুপুরে জেনারেল হাসপাতাল মাঠে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্যবিভাগ আয়োজিত করোনার ভ্যাকসিন প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি সবার আগে করোনার ভ্যাকসিন নেন। এর আগে গত ৪ ফ্রেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রেস কনফারেন্সে এমপি প্রিন্সের সর্ব প্রথম ভ্যাকসিন নেওয়ার বিষয়টির কথা জানান জেলা প্রসাসক।

এর পর পর্যায়ক্রমে করোনার টিকা নেন, পাবনার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল রহিম লাল, জেলা প্রশাসক মো: কবির মাহমুদ, পুলিশ সুপার মোহা: মহিবুল ইসলাম খান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মো: রোস্তম আলী।

এ সময় এমপি প্রিন্স বলেন, করোনার টিকা নিয়ে ভালই আছি, এখনো শরিরে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় নাই, আগের চেয়ে অনেক গুন ভাল আছি। করোনার টিকা সবাইকে নেওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, করোনার টিকা বাংলাদেশ পাবে কি পাবে না এই বিষয়ে আমাদের দেশের একটি মহল বিশ্বাস করে নাই, যখন আমরা হাতে পেলাম তখন এই দেশ বিরোধী চক্র হুজব ছড়াতে ব্যস্ত। গুজব ছড়িয়েছে করোনার টিকা নিলে মানুষ মারা যাবে, এ কথা সত্য নয়। আসলে দেশের উন্নয়ন হউক, জনগণ ভাল থাকুক এটা বিএনপি- জামায়াত মেনে মেনে নিতে পারে না। আমরা উন্নয়নের ব্যস্ত, তারা গুজব ছড়নোর কাজে লিপ্ত। আমি টিকা নিয়েছি আপনার টিকা নিন, কোন সমস্যা হবে না।

এসময় জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ বলেন, বলেন, প্রথম দিকে রেজিষ্ট্রেশন কম হলেও দু-একদিন গেলে মানুষ হুমরি খেয়ে পড়বে। তখন আমরা জনগণকে সামাল দিতে পারব না। ভ্যাকসিন নিলে কোন সমস্যা সৃষ্টি হবে না, আপনারা নির্ভয়ে টিকা কেন্দ্রে এসে করোনার ভ্যাকসিন নিন।

পাবনার সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল মোমেন বলেন, ৮৪ হাজার ডোজ করোনার টিকা আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে, এক ভয়েল ১০ জনকে দেওয়া যাচ্ছে। জেলা ইপিআই কেন্দ্রে করোনার ভ্যাকসিন সংরণ করা হয়েছে। অ্যাপে আবেদন কারীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। সব উপজেলার জন্য ৩ টি করে ব্যুথে, সদরে ৮ টি ব্যুথে করোনার টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, করোনা মোকাবিলায় প্রথম সারির যোদ্ধা চিকিৎসক, নার্স, আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা ও বয়স্ক মানুষেরা টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধীকার দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও পরবর্তী ধাপে পর্যায়ক্রমে অন্য শ্রেণি-পেশার মানুষদের টিকা দেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে  সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

18 − 9 =