বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : চলাচলের বিধিনিষেধে থমকে গেছে কুষ্টিয়ার জনজীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :২৩ মার্চ ২০২০, ৩:১২ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 314 বার
বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : চলাচলের বিধিনিষেধে থমকে গেছে কুষ্টিয়ার জনজীবন

সময়েরদিগন্ত.কম ॥ করোন আতঙ্কে কাঁপছে দেশ। জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবরতা। থমকে গেছে কুষ্টিয়া। চিরচেনা শহরের ব্যস্ততম রাস্তায় নেই কোন ব্যস্ততা। করোনার ঝুঁকি কমাতে কুষ্টিয়ায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নানাবিধ পদক্ষেপ। আজ থেকে মাঠ পর্যায়ে নামছে সেনাবাহিনী। ইতিমধ্যে করোনার ঝুঁকি কমাতে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্কুল কলেজ কোচিং বিনোদনের স্থান সহ জনকীর্ণ স্থানগুলো বন্ধের ঘোষনা দেওয়া হয়েছে। ছাড়তে বলা হয়েছে ছাত্রাবাস। বন্ধ করা হয়েছে গরুর হাট, পানের হাট সহ বিভিন্ন ধরনের হাট।

এছাড়াও জনসাধারনের চলাচলের উপরে আনা হয়েছে বিধিনিষেধ। ৫জনের বেশী একসাথে চলাচল না করার ঘোষনাও এসেছে ইতিমধ্যে। খুব বেশী প্রয়োজন না হলে কুষ্টিয়া শহরের রাস্তায় বের হচ্ছে না জনসাধারন। নেই তেমন কোন রিক্সা বা অটো রিক্সার চাপ। করোনার ঝুঁকি এড়াতে আগামীকাল থেকে কুষ্টিয়ার সাথে সকল রুটের দূরপাল্লার বাস চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে ঘোষনা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ফলে থমকে গেছে কুষ্টিয়া।

এ জেলায় এখন পর্যন্ত কোন করোনা আক্রান্ত রুগী সনাক্ত না হলেও হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে ৭শতাধিকের অধিক মানুষকে। যার ফলে দিন যত যাচ্ছে আতঙ্ক বাড়ছে কুষ্টিয়ার সাধারন মানুষের মধ্যে। প্রবাস ফেরতদের ক্ষেত্রে নেওয়া হয়েছে বাড়তি সর্তকর্তা। তাদের বাড়িতে ঝোলানো হয়েছে লাল পতাকা। করোনা আতঙ্কের মধ্যে কুষ্টিয়ার জনজীবনে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। আর দূর্ভোগে পরেছে প্রান্তিক খেটে খাওয়া মানুষেরা। যাদের দিন চলে প্রতিদিনর আয় রোজগারের উপর, করোনা আতঙ্কে বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে তারাই।

এদিকে করোনা আতঙ্কের মধ্যে সুবিধা নিচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। কারন ছাড়াই অধিক মুনাফা লাভের আশায়, সব ধরনের পন্যের মূল্য বৃদ্ধি করছে তারা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রতিনিয়তই অভিযান চালালেও তেমন কোন কাজে আসছে না তা। ফলে চাপ বাড়ছে সাধারন মানুষের উপরে।

সংবাদটি শেয়ার করে দৈনিক সময়ের দিগন্তের সাথে থাকুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে  সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

14 + 13 =


আরও পড়ুন