ঝিনাইদহের সদর পৌরসভার ভুটিয়ারগাতী গ্রামের আট বছর বয়সী এক শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলাকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অভিযুক্তের পরিবার। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর ১২টায় ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন- ঝিনাইদহ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভূটিয়ারগাতী গ্রামের বাসিন্দা মোছাঃ রাবেয়া খাতুন। তিনি তার স্বামী মোঃ লিটন হোসেনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। লিখিত বক্তব্যে রাবেয়া খাতুন বলেন, গত ১০ জুলাই পূর্ব শত্রুতার জেরে তার স্বামীর বিরুদ্ধে আট বছর বয়সী এক শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়। পরে আব্দুস সালাম নামে একজন বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। তিনি দাবি করেন, মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ঘটনার পর স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকা, অনলাইন সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই একপাক্ষিকভাবে সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে। এতে তার স্বামীকে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই দোষী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে পরিবারের সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি তারা চরম মানসিক ও সামাজিক সংকটের মধ্যে পড়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। রাবেয়া খাতুন আরও বলেন, তার স্বামী একজন দৈহিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। পূর্ব শত্রুতার জেরে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের অভিযোগ এনেছে বলে তাদের ধারণা। সংবাদ সম্মেলনে তিনি
গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে সরেজমিনে অনুসন্ধান, স্থানীয় মানুষের বক্তব্য গ্রহণ এবং নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং তার স্বামী নির্দোষ প্রমাণিত হলে সামাজিকভাবে তার সম্মান পুনঃপ্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।
Facebook Comments Box
মন্তব্য করুন
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, ওসিসহ আহত ২
১
ভেড়ামারা মওলাহাবাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি